jiliveo শুধু একটা গেমিং প্ল্যাটফর্ম নয় — এটা বাংলাদেশের লক্ষো খেলোয়াড়ের একটা ভরসার জায়গা। কীভাবে শুরু হয়েছিল, কী উদ্দেশ্যে চলছে, আর কোথায় যেতে চাই — সব কিছুই এখানে খোলামেলাভাবে জানতে পারবেন।
jiliveo-র প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে তিনটি মূল ধারণা কাজ করে।
বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে নিরাপদ, ন্যায্য ও আনন্দদায়ক অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। প্রযুক্তির সাহায্যে এমন একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেখানে খেলোয়াড় নিজেকে সুরক্ষিত মনে করেন।
২০২৮ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও খেলোয়াড়-বান্ধব গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে jiliveo-কে প্রতিষ্ঠিত করা — যেখানে মানুষ শুধু খেলতেই আসেন না, একটা সম্প্রদায়ের অংশ হতেও আসেন।
jiliveo কখনো খেলোয়াড়দের সাথে প্রতারণা করবে না। ন্যায্য গেমপ্লে, স্বচ্ছ নিয়ম এবং দ্রুত পেমেন্ট — এই তিনটি জিনিস আমরা সবসময় নিশ্চিত রাখব।
jiliveo-তে প্রতিটি লেনদেন ও ব্যক্তিগত তথ্য ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। দুই-ধাপ যাচাইকরণ ও রিয়েল-টাইম জালিয়াতি শনাক্ত সিস্টেম সবসময় সক্রিয় থাকে।
বিকাশ, নগদ, রকেট ও সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফার — jiliveo এদেশের মানুষের পছন্দের পেমেন্ট পদ্ধতিতে তাৎক্ষণিক ডিপোজিট ও মাত্র ৫ মিনিটে উইথড্রয়াল নিশ্চিত করে।
Pragmatic Play, Evolution, PG Soft, JILI সহ ৪২টি বিশ্বসেরা প্রোভাইডারের গেম jiliveo-তে একসাথে পাবেন। স্লট থেকে লাইভ ক্যাসিনো, ক্র্যাশ থেকে ফিশিং — সবই আছে।
BPL, জাতীয় দলের ম্যাচ ও আন্তর্জাতিক সব সিরিজে jiliveo বাজারের সেরা অডস অফার করে। লাইভ বেটিং ও ইন-প্লে অপশন দিয়ে ম্যাচের মুহূর্তে বেট করুন।
jiliveo বিশ্বাস করে খেলা আনন্দের জন্য। সেলফ-এক্সক্লুশন, ডিপোজিট লিমিট, সেশন টাইমার — এসব টুল দিয়ে আমরা খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করি।
jiliveo সম্পূর্ণ মোবাইল-অপ্টিমাইজড। Android বা iPhone যেকোনো ডিভাইস থেকে, যেকোনো ইন্টারনেট সংযোগে — একই স্বচ্ছন্দ অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।
আমাদের দলে আছেন প্রযুক্তি, ফিনটেক, গেমিং ও গ্রাহক সেবার অভিজ্ঞ পেশাদাররা।
২০১৯ সালে যখন jiliveo-র যাত্রা শুরু হয়েছিল, তখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং একটা বিশৃঙ্খল জায়গা ছিল। বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্মের ইন্টারফেস বাংলায় ছিল না, পেমেন্ট পদ্ধতি স্থানীয় ব্যবহারকারীদের জন্য জটিল ছিল, আর সাপোর্টে বাংলায় কথা বলার সুযোগ ছিল না বললেই চলে। jiliveo-র প্রতিষ্ঠাতারা এই সমস্যাগুলো সরাসরি দেখেছিলেন এবং সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন — এমন একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে হবে যেটা বাংলাদেশের মানুষের জন্যই বানানো।
শুরুটা ছিল ছোট — মাত্র একটি ছোট অফিস, কয়েকজন ডেভেলপার আর একটা বড় স্বপ্ন। প্রথম বছরে jiliveo মাত্র ৫টি গেম দিয়ে চালু হয়েছিল। কিন্তু যা ছিল সেটা ছিল সম্পূর্ণ বাংলা ইন্টারফেস, বিকাশে ডিপোজিটের সুবিধা এবং বাংলায় কথা বলা যায় এমন সাপোর্ট টিম। এই তিনটি জিনিসই প্রথম দিন থেকে jiliveo-কে আলাদা করে রেখেছিল।
খেলোয়াড়দের বিশ্বাস অর্জন করতে jiliveo-র সময় লাগেনি। কারণ মানুষ বুঝতে পেরেছিলেন — এখানে জমা দেওয়া টাকা সময়মতো ফেরত পাওয়া যাবে, গেমগুলো ন্যায্য, আর সমস্যায় পড়লে সাহায্য পাওয়া যাবে। এই সরল বিশ্বাস থেকেই jiliveo আজ ৫ লাখেরও বেশি সদস্যের পরিবারে পরিণত হয়েছে।
jiliveo জানে এদেশের মানুষ ক্রিকেট ভালোবাসেন। জানে বিকাশ ও নগদ এখানকার সবচেয়ে পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতি। জানে রমজান মাসে বা ঈদের সময় মানুষের সময়সূচি আলাদা হয়। এই স্থানীয় বোঝাপড়া jiliveo-কে একটা বিদেশি প্ল্যাটফর্মের তুলনায় অনেক বেশি কাছের করে তোলে।
jiliveo-র সাপোর্ট টিমের প্রতিটি সদস্য বাংলাদেশি। তারা আপনার ভাষায় কথা বলেন, আপনার সমস্যাটা বোঝেন এবং দ্রুত সমাধান দেন। রাত ২টায়ও যদি কোনো লেনদেনে সমস্যা হয়, jiliveo-র সাপোর্ট সেখানে আছে।
আগামী দিনগুলোতে jiliveo আরও বড় হবে — আরও বেশি গেম, আরও দ্রুত পেমেন্ট, আরও উন্নত মোবাইল অভিজ্ঞতা। কিন্তু যা পরিবর্তন হবে না তা হলো মূল প্রতিশ্রুতি — বাংলাদেশের মানুষের জন্য সবচেয়ে বিশ্বস্ত গেমিং অভিজ্ঞতা দেওয়া।
৫ লাখেরও বেশি সদস্য ইতোমধ্যে jiliveo বেছে নিয়েছেন। আজই নিবন্ধন করুন এবং প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস পান।