বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি মানুষ jiliveo-তে খেলাধুলায় বেট করেন। ইন-প্লে অডস, বল-বাই-বল আপডেট, ৩৮টি স্পোর্টস ক্যাটাগরি — সব এক জায়গায়।
T20, ODI, টেস্ট
৪৮ লাইভEPL, La Liga, UCL
১২০ লাইভATP, WTA, গ্র্যান্ড স্ল্যাম
৩৬ লাইভNBA, EuroLeague
২২ লাইভCS2, Dota 2, LoL
৫৮ লাইভপ্রতি মিনিটে ম্যাচ
সবসময়jiliveo-তে ৫ বা তার বেশি ম্যাচ একসাথে বেট করলে মোট জয়ের উপরে অতিরিক্ত ২০% বোনাস পাবেন। একটু বেশি সাহস দেখালেই পুরস্কার বেশি।
বল-বাই-বল আপডেট
১৫ মিনিটে বিকাশে
প্রতি ম্যাচে
SSL এনক্রিপ্টেড
যেকোনো ডিভাইসে
বাংলায় সহায়তা
বাংলাদেশে খেলাধুলার প্রতি মানুষের আবেগ যে কতটা গভীর, সেটা বিসিবির স্টেডিয়ামের বাইরে ভিড় দেখলেই বোঝা যায়। jiliveo এই আবেগটাকে সম্মান করে একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে যেখানে খেলার মজার সাথে বেটিংয়ের রোমাঞ্চ একসাথে পাওয়া যায়। ক্রিকেট এখানে সবার আগে — কারণ বাংলাদেশে ক্রিকেট মানে শুধু খেলা নয়, এটা একটা সামাজিক অনুভূতি।
jiliveo-র স্পোর্টস সেকশনে প্রবেশ করলে প্রথমেই চোখে পড়বে লাইভ ম্যাচের তালিকা। প্রতিটি ম্যাচের পাশে রিয়েল-টাইম স্কোর, বর্তমান অডস এবং বিভিন্ন বেটিং মার্কেট দেখা যায়। ক্রিকেটে একটি বল মাঠে পড়ার সাথে সাথে অডস পরিবর্তন হয় — এই গতিটা jiliveo-র ইন-প্লে সিস্টেম ধরে রাখতে পারে।
jiliveo-র ক্রিকেট বেটিং সেকশনটা তৈরিই হয়েছে বাংলাদেশি দর্শকদের কথা মাথায় রেখে। এখানে শুধু ম্যাচ উইনারের অডস নেই — রয়েছে টপ ব্যাটসম্যান, টপ বোলার, পাওয়ারপ্লে রান, মেডেন ওভার, নির্দিষ্ট ওভারে রানের সংখ্যা, পরবর্তী উইকেটে আউট হওয়া ব্যাটসম্যান — এরকম ৩০টিরও বেশি মার্কেট প্রতিটি ম্যাচে পাওয়া যায়।
বাংলাদেশ যখন খেলে, jiliveo-তে বেটিংয়ের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বিপিএল মৌসুমে তো প্রতিটি ম্যাচে হাজারো মানুষ একসাথে বেট করছেন। এই চাপ সামলেও jiliveo-র সার্ভার সচল থাকে এবং অডস আপডেট হতে থাকে — এটাই পার্থক্য।
বাংলাদেশে ফুটবলপ্রেমীরা রাত জেগে ইউরোপের ম্যাচ দেখেন। jiliveo সেই রাতের সঙ্গী। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগা, চ্যাম্পিয়নস লিগ — সব বড় টুর্নামেন্টের প্রতিটি ম্যাচে শতাধিক বেটিং মার্কেট পাওয়া যায়। অনেকে শুধু ম্যাচ উইনারে বেট করেন, আবার অভিজ্ঞরা হাফটাইম স্কোর, কার্ড সংখ্যা, কর্নার সংখ্যা এরকম নির্দিষ্ট মার্কেটে মনোযোগ দেন।
বাংলাদেশের সাইবার ক্যাফে থেকে শুরু হওয়া ই-স্পোর্টস এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। jiliveo-তে CS2, Dota 2, League of Legends, Valorant সহ সব বড় ই-স্পোর্টস ইভেন্টে বেটিং করার সুযোগ আছে। এই ধরনের বেটিং তুলনামূলক নতুন হলেও জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে, বিশেষত ২০-৩০ বছর বয়সীদের মধ্যে।
ভার্চুয়াল স্পোর্টস হলো jiliveo-র আরেকটি অনন্য সুবিধা। যখন কোনো রিয়েল ম্যাচ নেই, তখনো খেলার মজা বজায় রাখতে ভার্চুয়াল ক্রিকেট বা ফুটবলে বেট রাখা যায়। প্রতি কয়েক মিনিটে একটি নতুন ভার্চুয়াল ম্যাচ শুরু হয়।
| খেলা | মার্কেট | লাইভ |
|---|---|---|
| ক্রিকেট | ৩০+ | ✓ |
| ফুটবল | ১০০+ | ✓ |
| টেনিস | ২৫+ | ✓ |
| বাস্কেটবল | ৪০+ | ✓ |
| ই-স্পোর্টস | ৫০+ | ✓ |
| ভার্চুয়াল | ১৫+ | ✓ |